বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
/ বেলা অবেলা
আমার মাটি পদ্মা বোস   আমি এমন একটা দেশে থাকি, যেখানে ভোরের আজানে আমার ঘুম ভাঙ্গে আমি এমন একটা দেশে থাকি, যেখানে দুর্গা পুজোয় ঠাকুর দেখে আনিসারা আমি এমন একটা ...বিস্তারিত
  ধীরে ধীরে জ্যোৎস্না মেখেছি চোখে, আমরা দুজন পথ হেঁটেছি সুখে। বাঁক পেরোলেই তোমার ঘরবাড়ি, আমরা তবুও হারিয়ে ফেলেছি গলি! এক চিলতে দুপুর,বিকেল,রাতে, ইচ্ছেগুলো মুঠোর ভিতর হাতে। আলগা মুঠোয় ইচ্ছেরা
নি:স্বর্গ গীরিদেশ আবদুল লতিফ জনি-   পাহাড়, নদী, ঝর্না ঘিরে তিন পার্বত্য জেলা;- ‘প্রকৃতিটা’ করছে সেথায় অপার রুপের খেলা।। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি কিংবা বান্দরবান;- মুগ্ধ দেখে রুপের বাহার, স্নিগ্ধ জীবন প্রান।।
  পাশাপাশি বাড়ি পাশাপাশি ঘর। পাশাপাশি দু’টি মন, নিরব চাহুনি, তবুও যেনো করছে, দু’টি হৃদয় আলিঙ্গন। পাশাপাশি ছাদ, দৃষ্টি নিরব। অহেতুক কোলাহলে, হারিয়েছে মন। জানিনা কখন অযাচিত মন, পালিয়ে বেড়ায়,
অজিতেশ নাগ গাছ কী করে চিনতে হয় একজন পুরুষ শিখিয়েছিল আমায়। ওর পাতা রঙয়ের পাতলুন; ওর নখের ভেতরে কাল রাতের সব অহংকার; সবটুকু জমা রেখে ও শিকড় ঘেঁষে বসেছিল। আমি
  ঐ-যে অদৃশ্য আততায়ী আমার স্বাধীনতার হন্তারক মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে ছুটে চলেছে দেশ থেকে দেশান্তর ভাষা হারিয়েছে পৃথিবীর মানুষ তবুও তাদের নেই কোন হুঁশ লাশ খুঁজে পাবে না মৃত্যুর মিছিলে
  এমন সকাল ঝকঝকে রোদ, মাঝে মাঝে আকাশটাতে একটু আলো একটু ঘোলা; হঠাৎ এমন আটকে রাখা সভ্যতার দৈত্যটাকে, ফুঁসছে সে কাঁদছে সে। কেউ জানে না থাকবে কে, যাবে কে; তবুও
  মাঠে মাঠে নামে বৃষ্টির ঠিকানারা সবুজ ফরাসে নোটিস করেছে জারি রাতজাগা যত ভিজে পাতা নদী নিয়ে কবিতার পাঠ চাইলেই দিতে পারি। আগের শ্রাবণ স্মৃতির সরণি জুড়ে বাদল উড়ছে জীবনের