শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

রন ও দীপুকে জরিমানা করা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

নিউজ ডেস্ক / ২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০
রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিধি না মেনে থাইল্যান্ডে বসে জামিন আবেদন করায় সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারকে জরিমানা ও কিছু পর্যবেক্ষণসহ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। একইসঙ্গে আবেদনটির শুনানির জন্য আগামী ৯ আগস্ট দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

এর আগে হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতের সামনে উপস্থিত না হয়েও বিধিবহির্ভুতভাবে থাইল্যান্ডে থেকে জামিন আবেদন করায় সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদারকে জরিমানা ও কিছু পর্যবেক্ষণসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট। জারিমানা হিসেবে দুই সপ্তাহের মধ্যেই জামিন আবেদন করা দুই ভাইকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ হাজার পিপিই প্রদানের নির্দেশ দেন আদালত। আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২০ জুলাই বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এছাড়াও আদালত এ মামলায় প্রভাব খাটিয়ে আসামিদের জামিন আবেদন করা-সহ বেশকিছু বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দেন।

হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি (লিভ টু আপিল) চেয়ে সোমবার (২৭ জুলাই) আবেদন করা হয়।

প্রসঙ্গত, এর আগে বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সিকদার গ্রুপের এই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় গত ১৯ মে মামলা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, গত ৭ মে রন ও দিপু এক্সিম ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে বন্দি করে রাখেন। তাদেরকে গুলি করে হত্যা করার চেষ্টাও করা হয়।

এদিকে ঘটনার পর থেকেই রন হক ও দিপু হক পলাতক রয়েছেন। পরে নিজেদের চার্টার্ড বিমানে করে তারা থাইল্যান্ডে পাড়ি জমান। সেখান থেকেই তারা আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ